ঈদ চলে গেলেও মাসজুড়ে এর আমেজ রয়ে যায়। কারণ ঈদ-পরবর্তী সময়ে দাওয়াতের ধুম পড়ে যায়। এ সময়ে স্বজনদের কাছে পাওয়ার নিশ্চয়তায় অনেকেই বিয়ের তারিখ রাখেন, থাকে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, পরিচিতজনদের বাসায় লাঞ্চ বা ডিনারের আমন্ত্রণ। এসব আয়োজনে পোশাক বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে উপলক্ষের ধরন বিবেচনা করে নিতে পারেন। তিনটি প্রশ্ন নিজেকে করে সহজেই নিতে পারবেন সিদ্ধান্ত।
১। কোথায় যাচ্ছি?
২। কেন যাচ্ছি?
৩। কাদের সঙ্গে দেখা হবে?
কোথায় যাচ্ছেন, এই প্রশ্নের উত্তর যদি হয় বিয়ে কিংবা বউভাতের মতো অনুষ্ঠান, তাহলে একটু জমকালো পোশাক বেছে নেওয়া যেতে পারে। মেয়েদের জন্য শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, শারারা, লেহেঙ্গা মানিয়ে যাবে বেশ।
ছেলেরা বেছে নিতে পারেন পাঞ্জাবি, শেরওয়ানি কিংবা স্যুট। এ ক্ষেত্রে আগে বুঝে নিন দাওয়াতের বাড়ির পরিবেশ কেমন হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে আরামকে প্রাধান্য দিন।
আপনজনের বাসায় রাত কিংবা দুপুরের খাবারের দাওয়াত হলে খুব বেশি জমকালো পোশাকে যাওয়ার দরকার নেই বলা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে পোশাকে রুচির ছাপ জরুরি।
সহজ নকশার চিরায়ত প্যাটার্নের পোশাক এ সময় আপনাকে স্বস্তি দেবে। আর নিরীক্ষা তোলা থাকুক বন্ধুদের আড্ডার জন্য।
অন্যদিকে জমজমাট আড্ডার আয়োজনে ঢিলেঢালা নরম পোশাক আপনাকে রাখবে প্রফুল্ল। টপ-বটম, স্কার্ট, ম্যাক্সি ড্রেস, কাফতান ,জাম্প স্যুট বেশ মানিয়ে যাবে মেয়েদের। ছেলেদের জন্য এ সময়ের আদর্শ পোশাক হবে পোলো, রাউন্টনেকটি কিংবা ক্যাজুয়াল শার্টের সঙ্গে ডেনিম।
যে পোশাকই বেছে নেন না কেন, আবহাওয়ার দিকে নজর রাখতে হবে। মনে রাখবেন, এই গরমে তাপমাত্রা শোষণ করে এমন রঙের পোশাক এ সময় বেছে না নেওয়াই ভালো হবে।
প্যাস্টেল কিংবা হালকা শেডের পোশাক আপনাকে কিছুটা আরাম বেশি দেবে। কারণ, এসব রং তাপ শোষণ না করে প্রতিফলিত করবে।
পোশাকের প্যাটার্নে বাহুল্য এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। এমন আবহাওয়ায় সাধারণ প্যাটার্নের পোশাক ভালো লাগবে। অলংকরণের ক্ষেত্রে বেছে নিন নান্দনিক নকশার সীমিত ব্যবহার হয়েছে এমন পোশাক।
অবশ্যই বের হওয়ার সময় এক বোতল পানি আর একটি ছাতা সঙ্গে রাখুন। তাপপ্রবাহে তৃষ্ণা মিটিয়ে নিন সময় করে। আর রোদ কিংবা বৃষ্টি ছাতা আপনাকে সাময়িক সুরক্ষা দিতে পারে।