‘মোস্ট অ্যাওয়ার্ডেড হোটেলিয়ার অব বাংলাদেশ ২০২৪’ সম্মাননা পেয়েছেন ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসের প্রধান নির্বাহী মো. শাখাওয়াত হোসেন। ২০২৪ সালে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চারটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করায় বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিহা) পক্ষ তাঁকে সম্মানিত করা হয়েছে। সম্প্রতি এ অনুষ্ঠানে তাঁকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন বিহার প্রেসিডেন্ট হাকিম আলী।
বাংলাদেশের হসপিটালিটি ও ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রির সুপরিচিত মো. শাখাওয়াত হোসেন সদ্য শেষ হওয়া ২০২৪ সালে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পেয়েছেন সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে ‘ট্যুরিজম ফেস অব সাউথ এশিয়া ২০২৪’, বাংলাদেশ মনিটরের বাংলাদেশ ট্রাভেল, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে ‘হোটেলিয়ার অব দ্য ইয়ার-২০২৪’, ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘হসপিটালিটি প্রফেশনাল অব বাংলাদেশ-২০২৪’ ও হোটেল ইন্ডাস্ট্রি আর্কিটেকচার, ইন্টেরিয়র্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনফারেন্স প্রদত্ত ‘বেস্ট হোটেলিয়ার অব বাংলাদেশ’।
বাংলাদেশের হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘ অবদান ও অর্জনের জন্য মো. শাখাওয়াত হোসেন ‘ওয়ার্ল্ড শেফস কালিনারি কাপ কোরিয়া ২০২৪’ প্রতিযোগিতায় অফিশিয়াল বিচারক নির্বাচিত হন। এ স্বীকৃতি রন্ধনশিল্পে তাঁর গভীর জ্ঞান ও প্রভাবেরই প্রতিফলন। এর মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজের অবস্থানকে তুলে ধরতে সক্ষম হচ্ছেন তিনি। এ ধরনের মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইভেন্টে বিচারকের ভূমিকা পালন করার মধ্য দিয়ে তিনি কালিনারি প্রতিভা লালনের পাশাপাশি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ গ্যাস্ট্রোনমিক ঐতিহ্যকে বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরতে সক্ষম হচ্ছেন।
ুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে মো. শাখাওয়াত হোসেনের সম্পর্কে হাকিম আলী বলেন, ‘মো. শাখাওয়াত হোসেন বাংলাদেশের একমাত্র হোটেলিয়ার, যিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, গবেষক ও পেশাজীবী। তাঁর অসাধারণ নেতৃত্ব ও অবদানে কেবল বাংলাদেশে নতুন মানদণ্ডই স্থাপিত হয়নি, সেই সঙ্গে অর্জিত হয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও। তাঁকে এ সম্মাননা দিতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। আশা করি, বৈশ্বিক পর্যায়ে তিনি আরও অবদান রাখবেন। বিহার এ সম্মাননা এবং ওয়ার্ল্ড শেফস কালিনারি কাপে তাঁর অংশগ্রহণ হসপিটালিটিশিল্পের পেশাজীবীদের আরও উচ্চতায় পৌঁছাতে অনুপ্রাণিত করবে।’
দূরদর্শী নেতৃত্বগুণের অধিকারী মো. শাখাওয়াত হোসেন নেতৃত্ব দিয়েছেন বহু সফল উদ্যোগের। এর মধ্যে আছে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, টেকসই ব্যবসায়িক অনুশীলন বাস্তবায়ন (তাঁর নিজস্ব উদ্ভাবন—খাদ্যের ব্যয় অপটিমাইজেশন) এবং বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খাদ্য কূটনীতি ও মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করে পরিচালন উৎকর্ষ বৃদ্ধি। প্রতিভা বিকাশ, উদ্ভাবনের মাধ্যমে উৎকর্ষের অন্তর্ভুক্তিমূলক সংস্কৃতি তৈরি, সহযোগীদের কল্যাণ এবং মানবসম্পদকে দক্ষ করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা বাংলাদেশের হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির ভবিষ্যৎ রূপায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বিহার এ স্বীকৃতি এবং ‘ওয়ার্ল্ড শেফস কালিনারি কাপ কোরিয়া ২০২৪’-এ সম্পৃক্ততা মো. শাখাওয়াত হোসেনের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা এ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত অগণিত পেশাদারকে অনুপ্রাণিত করবে।
ছবি: সংগৃহীত